চলতি শীতের মরশুমে হাওড়া ও শহরতলিসহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে, ফলে হাওড়াবাসী তীব্র শীতের প্রভাবে কাঁপছে। উলুবেড়িয়া, সাঁত্রাগাছি ও অন্যান্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯° সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে দেখা গেছে, যা স্বাভাবিকের থেকে কয়েক ডিগ্রি নীচে রয়েছে। শহর কলকাতা ও হাওড়া অঞ্চলে শুষ্ক উত্তরের হাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছেত—এমন পরিস্থিতি আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ өдөр কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সিজনের এক নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা ১০.২° সেলসিয়াস এবং হাওড়ার কিছু অংশে তা ৯° সেলসিয়াসের মতো নেমে গেছে। এই শীতের ঢেউ সাধারণের তুলনায় প্রায় ৩–৬ ডিগ্রি নিচে থাকার কারণে নাগরিকেরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উষ্ণ কাপড় পরিধান করছেন এবং বৃদ্ধ ও শিশুদের ব্যাপক সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
হাওড়া–কলকাতা অঞ্চলে সকাল–সন্ধ্যা কুয়াশা ও শুষ্ক হাওয়ার তীব্রতার কারণে শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে এবং আবহাওয়া দফতর আরও কিছুদিন এই নিম্ন তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও শীতসহনশীল ব্যক্তিদের বাইরে দীর্ঘ সময় না কাটাতে এবং যথাযথ শীতবস্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শীতের এই অবস্থায় বাড়তি আতঙ্ক ও কষ্টের পাশাপাশি পরিবহণ ব্যবস্থায় কুয়াশা ও শীতের প্রভাবে কিছুটা বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে বলে পরিবহণ কর্তৃপক্ষও সতর্ক করেছে। আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়ার আরও পরিবর্তন হলে তা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস জানা যাবে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।


